বগুড়ায় চালককে হত্যা করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ১৮ই জুলাই (২০২৬) শনিবার দুপুরে বগুড়া শহরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
ডিবি পুলিশের দাবি, হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটক আসাদুজ্জামান আসাদকে (২৫) ডিবি কার্যালয়ের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। আজ রোববার তাঁকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। তিনি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাজতখানার শৌচাগারে ঢুকে ভেন্টিলেশনের সঙ্গে লুঙ্গি পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আসাদুজ্জামান বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা মধ্য উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বগুড়া ডিবির পরিদর্শক ইকবাল বাহার বলেন, ১ জুলাই বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া বউবাজার এলাকা থেকে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে চালককে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনতাই করেন। এ ঘটনায় সারিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে আসাদুজ্জামান নামের ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গতকাল বগুড়া শহর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসাদুজ্জামান মাদকসেবী ছিলেন। মাদক না পেয়ে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। হাজতখানায় সিসি ক্যামেরা আছে। শৌচাগারে প্রবেশ করার বিষয়টি ভিডিও ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

